hbaji12 শুধু একটি বেটিং সাইট নয়। এটি বাংলাদেশের লক্ষাধিক ক্রিকেট প্রেমী, গেমিং উৎসাহী ও বিনোদন খুঁজে পাওয়া মানুষদের জন্য একটি বিশ্বস্ত ঠিকানা — যেখানে নিরাপত্তা, স্বচ্ছতা এবং আনন্দ সবকিছু একসাথে পাওয়া যায়।
hbaji12-এর মিশন সহজ — বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষকে একটি নিরাপদ, সুলভ এবং আনন্দদায়ক অনলাইন গেমিং অভিজ্ঞতা দেওয়া। আমরা বিশ্বাস করি প্রযুক্তি ও বিনোদনের মেলবন্ধনে এমন একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরি সম্ভব যেখানে ব্যবহারকারী সবসময় নিজেকে সম্মানিত ও সুরক্ষিত অনুভব করবেন।
ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম, সিলেট থেকে খুলনা — বাংলাদেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে hbaji12-এ এসে একই মানের সেবা পাওয়া যাবে। এটাই আমাদের প্রতিশ্রুতি।
আমরা স্বপ্ন দেখি এমন একটি ভবিষ্যতের, যেখানে বাংলাদেশের অনলাইন গেমিং শিল্প বিশ্বমানের হবে এবং hbaji12 সেই পরিবর্তনের নেতৃত্ব দেবে। আমাদের লক্ষ্য শুধু আরও বেশি ব্যবহারকারী যোগ করা নয় — বরং প্রতিটি ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতাকে আরও সমৃদ্ধ করা।
দায়িত্বশীল গেমিং সংস্কৃতি গড়ে তোলা, স্থানীয় পেমেন্ট পদ্ধতিকে আরও সহজ করা এবং বাংলা ভাষায় বিশ্বমানের সেবা নিশ্চিত করা — এই তিনটি লক্ষ্য সামনে রেখেই hbaji12 এগিয়ে যাচ্ছে।
hbaji12-এর প্রতিটি সিদ্ধান্তের পেছনে এই মূল্যবোধগুলো কাজ করে
এই বিষয়গুলো আমাদের বাংলাদেশের অন্যান্য প্ল্যাটফর্ম থেকে আলাদা করে রাখে
hbaji12 আন্তর্জাতিক নিয়ন্ত্রক সংস্থার অধীনে পরিচালিত। প্রতিটি বাজি ও লেনদেন এনক্রিপ্টেড সংযোগে হয়। তৃতীয়পক্ষ নিরাপত্তা অডিট নিয়মিত পরিচালিত হয়।
বিকাশ, নগদ ও রকেটে মাত্র কয়েক সেকেন্ডে ডিপোজিট হয়। উইথড্রয়াল সর্বোচ্চ ২৪ ঘণ্টায় — VIP সদস্যদের ক্ষেত্রে আরও কম সময়ে।
বাংলাদেশিদের ক্রিকেট প্রেমকে সম্মান জানিয়ে hbaji12 দেশের সবচেয়ে বিস্তারিত ক্রিকেট বেটিং মার্কেট অফার করে — বিপিএল, জাতীয় দল, আইপিএল সব মিলিয়ে।
hbaji12-এর গ্রাহক সেবা দল সম্পূর্ণ বাংলায় কাজ করে। লাইভ চ্যাট, ইমেইল ও ফোন — তিনটি চ্যানেলেই ২৪ ঘণ্টা সহায়তা পাওয়া যায়।
hbaji12 অ্যাপটি বাংলাদেশের স্মার্টফোন ব্যবহারকারীদের কথা মাথায় রেখে তৈরি। পুরনো Android ফোনেও মসৃণ চলে, ব্যাটারি ও ডেটা সাশ্রয়ী।
নিয়মিত খেলোয়াড়দের জন্য আছে বিশেষ ক্যাশব্যাক, ডেডিকেটেড ম্যানেজার ও এক্সক্লুসিভ টুর্নামেন্ট। প্রতিটি বাজিতে লয়্যালটি পয়েন্ট জমা হয়।
কীভাবে শুরু হয়েছিল hbaji12-এর যাত্রা
২০১৯ সালে একটি ছোট দল নিয়ে hbaji12-এর যাত্রা শুরু হয়েছিল। সেই সময় বাংলাদেশে অনলাইন গেমিং প্ল্যাটফর্মের সংখ্যা কম ছিল না, কিন্তু বাংলাভাষী ব্যবহারকারীদের কথা মাথায় রেখে তৈরি প্ল্যাটফর্ম ছিল হাতেগোনা। বেশিরভাগ সাইটের ইন্টারফেস ইংরেজিতে, সাপোর্ট ইংরেজিতে, এমনকি পেমেন্টের নির্দেশনাও ইংরেজিতে — অনেক বাংলাদেশি ব্যবহারকারীর জন্য এটা একটা বড় বাধা ছিল।
hbaji12-এর প্রতিষ্ঠাতারা সেই ফাঁকটা চিহ্নিত করলেন। তাঁদের লক্ষ্য ছিল এমন একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা যেখানে ঢাকার একজন রিকশাচালক থেকে শুরু করে সিলেটের একজন প্রবাসী — সবাই সহজে নেভিগেট করতে পারবেন, নিজের ভাষায় সাহায্য পাবেন এবং পরিচিত পেমেন্ট পদ্ধতিতে টাকা লেনদেন করতে পারবেন।
শুরুর দিকে শুধু ক্রিকেট বেটিং দিয়ে যাত্রা শুরু হয়েছিল। বাংলাদেশের মানুষের কাছে ক্রিকেট মানেই আবেগ — বিশ্বকাপ বা বিপিএলের সময় পুরো দেশ যেন এক হয়ে যায়। সেই আবেগকে কেন্দ্রে রেখে hbaji12 তার প্রথম পণ্যটি সাজিয়েছিল। প্রথম ছয় মাসে মাত্র কয়েক হাজার নিবন্ধিত ব্যবহারকারী ছিলেন — কিন্তু তাঁদের মুখ থেকে মুখে ছড়িয়ে পড়া বিশ্বাসযোগ্যতার গল্পই ছিল hbaji12-এর সবচেয়ে বড় মার্কেটিং।
ব্যবহারকারীরা যখন দেখলেন যে জেতার পর টাকা সত্যিই আসে, সাপোর্ট সত্যিই বাংলায় কথা বলে এবং ডিপোজিটে কোনো লুকানো চার্জ নেই — তখন বিশ্বাসটা তৈরি হলো। সেই বিশ্বাসই আজকের hbaji12-এর ভিত্তি।
২০২১ সাল নাগাদ hbaji12 শুধু ক্রিকেটের গণ্ডি পেরিয়ে ফুটবল, টেনিস, ব্যাডমিন্টন ও ই-স্পোর্টসেও সম্প্রসারিত হলো। লাইভ ক্যাসিনো, স্লট ও জ্যাকপট বিভাগ যোগ হওয়ার পর প্ল্যাটফর্মটি পূর্ণাঙ্গ বিনোদন গন্তব্যে পরিণত হয়।
মোবাইল অ্যাপ লঞ্চের পর ব্যবহারকারীর সংখ্যা নাটকীয়ভাবে বেড়ে যায়। বাংলাদেশের ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের ৯৫% মোবাইল ব্যবহার করেন — hbaji12 এই বাস্তবতা সবার আগে বুঝেছিল এবং সে অনুযায়ী বিনিয়োগ করেছিল।
২০২৬ সালে hbaji12-এর সদস্য সংখ্যা ৫ লক্ষ ছাড়িয়ে গেছে। প্রতিদিন হাজার হাজার ব্যবহারকারী এই প্ল্যাটফর্মে লগইন করেন, কোটি কোটি টাকার লেনদেন হয় এবং অসংখ্য বিজয়ীর মুখে হাসি ফোটে। কিন্তু hbaji12-এর পরিচালনা পর্ষদ বিশ্বাস করে — সংখ্যায় বড় হওয়াটা সাফল্যের একমাত্র মাপকাঠি নয়। প্রতিটি ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতা যদি ইতিবাচক না হয়, সেই সাফল্য অর্থহীন।
তাই আজও hbaji12-এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মেট্রিক হলো গ্রাহক সন্তুষ্টির হার — এবং সেই হার ধরে রাখতে আমরা প্রতিদিন কাজ করছি।
শুধু ক্রিকেট বেটিং নিয়ে শুরু। প্রথম মাসেই ১,০০০+ সক্রিয় সদস্য।
লাইভ ইন-প্লে বেটিং চালু হওয়ার পর ব্যবহারকারী দ্বিগুণ হয়।
পূর্ণাঙ্গ গেমিং প্ল্যাটফর্মে পরিণত। জ্যাকপট বিভাগ চালু।
Android ও iOS অ্যাপ প্রকাশের প্রথম মাসে ৫০,০০০+ ডাউনলোড।
বড় বাজিদারদের জন্য এক্সক্লুসিভ সেবা চালু। ডেডিকেটেড ম্যানেজার সিস্টেম।
বাংলাদেশের শীর্ষ অনলাইন গেমিং প্ল্যাটফর্ম হিসেবে স্বীকৃতি।
hbaji12-এর পেছনে আছে একটি নিবেদিতপ্রাণ ও অভিজ্ঞ টিম
২৫+ ডেভেলপার ও ইঞ্জিনিয়ার প্রতিদিন প্ল্যাটফর্ম আপগ্রেড ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাজ করেন।
৫০+ বাংলাভাষী সাপোর্ট এজেন্ট ২৪/৭ ব্যবহারকারীদের সমস্যা সমাধানে প্রস্তুত।
অভিজ্ঞ স্পোর্টস বিশ্লেষকরা প্রতিদিন অডস ও মার্কেট ডেটা আপডেট করেন।
নিয়ন্ত্রক প্রয়োজনীয়তা মেনে চলা এবং দায়িত্বশীল গেমিং নিশ্চিত করার দায়িত্বে।
আমাদের দলে ১৫০+ জন কর্মী আছেন — ঢাকায় আমাদের প্রধান কার্যালয় ছাড়াও চট্টগ্রাম, সিলেট ও রাজশাহীতে আঞ্চলিক দল রয়েছে। সবাই একটাই লক্ষ্যে কাজ করেন — hbaji12-এর প্রতিটি ব্যবহারকারীর সেরা অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করা।
hbaji12 যা বলে তা রাখে — এই বিষয়গুলো নিয়ে আমরা কোনো আপোষ করি না
hbaji12-এ কেউ জিতলে তাঁর পেমেন্ট পাওয়া কোনো প্রশ্নের বিষয় নয়। আমাদের প্রতিষ্ঠার পর থেকে কোনো বৈধ উইথড্রয়াল অনুরোধ অস্বীকার করা হয়নি। এটা শুধু দাবি নয় — আমাদের হাজার হাজার ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতাই এর প্রমাণ।
আপনার ব্যক্তিগত তথ্য ও আর্থিক ডেটা কখনো তৃতীয়পক্ষের কাছে বিক্রি বা শেয়ার করা হয় না। AES-256 এনক্রিপশন ও SSL সার্টিফিকেট দিয়ে সব ডেটা সুরক্ষিত রাখা হয়।
hbaji12-এর সব গেম এবং বেটিং মার্কেট সার্টিফাইড Random Number Generator (RNG) ব্যবহার করে। কোনো গেম ম্যানিপুলেট করা হয় না — প্রতিটি ফলাফল সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ।
যেকোনো প্রশ্ন, পরামর্শ বা সমস্যায় hbaji12-এর সাপোর্ট টিম সবসময় পাশে আছে।
হিসাব ও যাচাই নিয়ে কিছু সাধারণ প্রশ্নের উত্তর